স্বাগতম :
আজ: মঙ্গলবার, নভেম্বর ৫, ২০১৩
উৎসব আমেজ রাজধানীতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধ’: নিহত ১ নিউ ইয়র্কের বাস টার্মিনালে বিস্ফোরণ কমানো হয়েছে স্বর্ণের দাম শীঘ্রই ডিএনসিসি উপ-নির্বাচন বিআরটিসি বাসে ধুমপানমুক্ত সাইন স্থাপন ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ চালে’র কেজি ৭০, আলু’র ১ টাকা ডিএনসিসি মেয়র পদ শূন্য ঘোষণা বালিতে আগ্নেয়গিরি: সর্বোচ্চ সতর্কতা

পিলখানা হত্যা মামলা’র রায়ঃ ১৫২ জনের ফাঁসি, যাবজ্জীবন ১৬০ জনের

বিশেষ প্রতিনিধি,এসবিডি নিউজ24 ডট কমঃ বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর বিডিআর বিদ্রোহ বা ‘পিলখানা হত্যা মামলা’র রায়ে দেড় শতাধিক আসামিকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। ২৪২ জনকে খালাস দেয়া হয়েছে। এছাড়া যাবজ্জীবন কাড়াদণ্ড দেয়া হয়েছে ১৫৫ জনকে। এর মধ্যে নাসিরউদ্দিন পিন্টু এবং তোরাব আলীকে যাবজ্জীবন কাড়াদণ্ড দিয়ে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান রায় ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের প্রায় চার বছর আট মাস পর এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। গত ৩০ অক্টোবর মামলার রায় ঘোষণার তারিখ থাকলেও রায় প্রস্তুত না হওয়ায়, ওইদিন রায় ঘোষণার জন্য ৫ নভেম্বর নতুন তারিখ ঠিক করা হয়। এর আগে গত ২০ অক্টোবর পুরান ঢাকার বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসার পাশে কেন্দ্রীয় কারাগারসংলগ্ন মাঠে ঢাকার জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাসে আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক শেষ হয়। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেছেন, ইতিহাসে এত বড় মামলা আর কখনো হয়নি। মামলায় সাড়ে আট শ’ আসামির বিষয়ে প্রায় সাড়ে ছয় শ’ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। মাত্র দুই সপ্তাহ আগে মামলার বিচার কাজ শেষ হয়েছে। তাই এ মামলায় রায় প্রস্তুত করতে সময় লেগেছে। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনাকর্মকর্তাসহ ৭৪ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়। এ ঘটনায় প্রথমে রাজধানীর লালবাগ থানায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। পরে এসব মামলা নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তর করা হয়। এ মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২৩ বেসামরিক ব্যক্তিসহ প্রথমে ৮২৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে সম্পূরক অভিযোগপত্রে আরো ২৬ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়। এ ছাড়া বিস্ফোরক আইনে করা মামলায় প্রথমে ৮০৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রদান করে সিআইডি। পরে আরো ২৬ জনকে অভিযুক্ত করে মোট ৮৩৪ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। দুই মামলার বিচার একইসঙ্গে চলে। মামলায় ২০ জন আসামি পলাতক রয়েছেন। বিচার চলার সময়ে বিডিআরের ডিএডি রহিমসহ চার আসামির মৃত্যু হয়। জামিনে আছেন ১৩ জন। ৫ নভেম্বর (মঙ্গলবার) ৮১৩ জন কারাবন্দি আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হয়। বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ইতিমধ্যে এ বাহিনীর নিজস্ব আইনে বিচার শেষ হয়েছে। তবে ৭৪ জনকে হত্যা, লুণ্ঠনসহ অন্য অভিযোগের বিচার প্রচলিত আইনে পরিচালিত হয়েছে।

প্রাসঙ্গিক সংবাদঃ

  • জেল হত্যা দিবসঃ ৩৮ বছর কেটে গেলেও জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলার বিচার-প্রক্রিয়া শেষ হয়নি!
  • ৫ নভেম্বরঃ পিলখানা হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে
  • ৮ বছর পর সাংবাদিক গৌতম দাস হত্যা মামলার রায়ঃ ৯ জনের যাবজ্জীবন
  • নওগাঁর ধামইরহাটে আদিবাসী জাম্বুর হত্যা মামলার আসামী আতিকুল গ্রেফতার
  • মৌলভীবাজারে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড