স্বাগতম :
আজ: শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০১৫
শঙ্কামুক্ত নন হায়াৎ আইভী ডিএনসিসি উপনির্বাচন: ৩ মাসের জন্য স্থগিত বাগদাদে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরন অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদায় রদবদল অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিব পর্যায়ে রদবদল নাখালপাড়ায় জঙ্গি অভিযান: নিহত ৩ দেশ কেন মাদক থেকে মুক্ত হতে পারছে না? মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়কের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস নির্মল সেনের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত পুলিশ সপ্তাহ শুরু

বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয়

ক্রীড়া প্রতিবেদক,এসবিডি নিউজ24 ডট কমঃ অসাধারণ এক সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশকে লড়াকু পুঁজি এনে দিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। আর দারুণ বোলিংয়ে দলকে বড় জয় এনে দিয়েছেন সাকিব আল হাসান। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ১৪৫ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ।

৭ নভেম্বর (শনিবার) মিরপুরে মুশফিকের সেঞ্চুরি আর সাব্বির রহমানের ফিফটিতে ৯ উইকেটে ১৭৩ রানের লড়াকু পুঁজি গড়ে বাংলাদেশ। জবাবে ৩৬.১ ওভারে ১২৮ রানেই অলআউট হয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। ওয়ানডেতে প্রথমবারের মতো ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন সাকিব।

শনিবার মিরপুরে মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরি (১০৭), সাব্বির রহমানের ৫৭  ও তামিম ইকবালের ৪০ রানের সুবাদে ৯ উইকেটে ২৭৩ রানের টার্গেট গড়ে বাংলাদেশ। ২৭৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দেখেশুনেই খেলতে থাকে জিম্বাবুয়ে। শুরুতে দুই প্রান্ত থেকে মুস্তাফিজুর রহমান ও আরাফাত সানীকে আক্রমণে এনে সফলতার দেখা পাচ্ছিলেন না মাশরাফি। মুস্তাফিজ ও সানীর বদলে আল-আমিন ও সাকিবকে আক্রমণে আনেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। আর নিজের দ্বিতীয় ওভারেই দলকে সফলতা এনে দেন সাকিব। চামু চিবাবাকে (৯) ফিরিয়ে ৪০ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার। লং অন ও লং অফের মাঝামাঝিতে চিবাবার দুর্দান্ত এক ক্যাচ নেন লিটন দাস।

এরপর নিজের চতুর্থ ওভারে এসে নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে আসা ক্রেইগ আরভিনকেও (২) বিদায় করেন সাকিব। প্রস্তুতি ম্যাচে ৯৫ রান করা আরভিন মিড অফে নাসির হোসেনকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। পরের ওভারে এক প্রান্ত আগলে রাখা লুক জংউইকে (৩৯) ফিরিয়ে ইনিংসে নিজের প্রথম উইকেট তুলে নেন বিশ্বকাপের পর প্রথম দলে ফেরা আল-আমিন হোসেন। উইকেটের পেছনে মুশফিকের বিশ্বস্ত গ্লাভসে ধরা পড়েন জংউই।

জংউইয়ের বিদায়ের দুই ওভার পরেই জিম্বাবুয়ে শিবিরে তৃতীয়বারের মতো আঘাত হানেন সাকিব। এবার শেন উইলিয়ামসকে (৮) বোল্ড করেন তিনি। ফলে এক সময়ে বিনা উইকেটে ৪০ রান থেকে জিম্বাবুয়ের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৬৫ রান। ২৫ রানেই নেই ৪ উইকেট!

এরপর সিকান্দার রাজাকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন এল্টন চিগুম্বুরা। তবে রাজাকে (৩) ফিরিয়ে ১৪ রানের জুটি ভাঙেন মাশরাফি। রাজাকে মুশফিকের ক্যাচে পরিণত করে ইনিংসে নিজের প্রথম উইকেট নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। নিজের পরের ওভারে এসে ম্যালকম ওয়ালারকেও (১) ফিরিয়ে দেন মাশরাফি। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ম্যালকমের ক্যাচ নেন নাসির।

এর আগে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল হতাশার। মাত্র ২ রানেই ১ উইকেট হারিয়েছিল স্বাগতিকরা। এরপর ১৩১ রানের মধ্যেই ৪ উইকেট। তবে মুশফিকের দারুণ সেঞ্চুরি ও সাব্বিরের ফিফটিতে লড়াকু পুঁজি গড়ে বাংলাদেশ। পঞ্চম উইকেট জুটিতে মুশফিক-সাব্বির মিলে ১১৯ রান যোগ করেন।

ক্যারিয়ারের চতুর্থ ওয়ানডে সেঞ্চুরি করা মুশফিক দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১০৭ রানের চমৎকার এক ইনিংস খেলেন। ১০৯ বলে ৯টি চার একটি ছক্কায় ১০৭ রানের চমৎকার এক ইনিংস খেলেন এই ডানহাতি। এ ছাড়া সাব্বির ৫৭, তামিম ৪০, সাকিব ১৬ রান করেন। আর শেষ দিকে মাশরাফি ৮ বলে ১৪ ও আরাফাত সানী ৮ বলে ১৫ রান করে দলের সংগ্রহে অবদান রাখেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সিকান্দার রাজা ও তাউরাই মুজারাবানি দুটি করে উইকেট নেন। তিনাশে পানিয়াঙ্গারা ও লুক জংউইয়ের ঝুলিতে জমা পড়ে একটি করে উইকেট।

প্রাসঙ্গিক সংবাদঃ

  • ৭৯ রানে বাংলাদেশের জয়
  • জয় দিয়ে বাংলাদেশের সূচনা
  • ফাইনালে বাংলাদেশঃ জয়ের উচ্ছাস
  • বাংলাদেশের জমজমাট জয়!
  • গম্ভীর ও কোহলির দুর্দান্ত সেঞ্চুরির তান্ডবে জয় ভারতের