স্বাগতম :
আজ: বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৪, ২০১৬
শঙ্কামুক্ত নন হায়াৎ আইভী ডিএনসিসি উপনির্বাচন: ৩ মাসের জন্য স্থগিত বাগদাদে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরন অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদায় রদবদল অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিব পর্যায়ে রদবদল নাখালপাড়ায় জঙ্গি অভিযান: নিহত ৩ দেশ কেন মাদক থেকে মুক্ত হতে পারছে না? মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়কের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস নির্মল সেনের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত পুলিশ সপ্তাহ শুরু

নখ কামড়ানো উত্তেজনায় বাংলাদেশের মর্মান্তিক পরাজয়

ক্রীড়া প্রতিবেদক,এসবিডি নিউজ24 ডট কমঃ শেষ ৩ বলে দরকার ছিল মাত্র ২ রান। উইকেটে রিয়াদ- মুশফিকের মতো ব্যাটসম্যানরা। সিঙ্গেল করে নিলেই হয়ে যেত। কিন্তু তারা হাঁকাতে গেলেন ছক্কা! তুলে দিলেন ক্যাচ। আর ফিনিশিংয়ের অভাবে নিশ্চিত জেতা ম্যাচটা হেরে গেল বাংলাদেশ। হারতে হলো মাত্র ১ রানে। নখ কামড়ানো উত্তেজনা বজায় থাকার পর ম্যাচের ফল নির্ধারিত হয় শেষ বলে। এই হারে বিশ্বকাপের সুপার টেন থেকেই বিদায় নিতে হলো বাংলাদেশকে।

তবে ২৩ মার্চ (বুধবার) রাতে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচটা যারা দেখেননি, তারা অনেক কিছু মিস করছেন। অবশ্য এই হারের কথা অনেক দিন মনে রাখবে বাংলাদেশ। এই হার অনেক কষ্টের। প্রথমে ব্যাট করে ভারত করে ৭ উইকেটে করে ১৪৬ রান। জবাবে ৭ উইকেটে ১৪৫ রান করে বাংলাদেশ। পুরো ইনিংসে উত্তেজনা জিইয়ে রেখে শেষ পর্যন্ত ১ রানে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

টার্গেট নিয়ে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের শুরুটা ছিল খারাপ। আবারও দলকে বিপদে ফেলে ১ রান করে ফিরে যান কোচ হাথুরাসিংহের প্রিয়পাত্র মোহাম্মদ মিথুন। তবে শুরুর এ ধাক্কা ভালই সামাল দেন তামিম ইকবাল ও সাব্বির রহমান। এ জুটি তুলেন ৪৪ রান। যথেষ্ট স্বাচ্ছ্যন্দে খেলছিলেন তামিম। তবে ৩২ বলে ৩৫ রান করে হঠাৎই আউট হয়ে যান তামিম। আর স্পিনার জাদেজার একটি বল সামনে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে ১৫ বলে ব্যক্তিগত ২৬ রানের মাথায় ফিরে যান সাব্বির।

পাঁচ নম্বরে সবাইকে চমকে দিয়ে ব্যাট করতে নামেন মাশরাফি। এটা ছিল বাজি। কিন্তু সেই বাজিতে মাশরাফি জিতেননি। আউট হয়েছেন ৬ রান করে। এরপরই ১৫ বলে ২২ করে আউট হয়ে যান ভাল খেলতে থাকা সাকিব। পরপর দুই উইকেট হারিয়ে দারুণ চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ।

তবে সেই চাপ সামলানোর চেষ্টা করেন রিয়াদ-সৌম্য জুটি। তারা লড়ে যান ভারতীয় বোলারদের বিপক্ষে। ৩১ রানের মূল্যবান পার্টনারশিপ গড়েন তারা। ২১ বলে ২১ রান করে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে নেহরার বলে আউট হন সৌম্য। শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ১৭ রান। উইকেটে ছিলেন রিয়াদ ও মুশফিক। ১৯তম ওভারে আসে মাত্র ৬ রান। বাংলাদেশের জন্য কাজটা কঠিন হয়ে যায়। শেষ ওভারে দরকার পড়ে ১১ রান। দুটি চার মেরে ব্যক্তিগত ১১ রান করে ফিরে যান মুশফিক। শেষ ২ বলে দরকার ছিল ২। কিন্তু পান্ডেকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রিয়াদ (১৮)। শেষ বলে দরকার ছিল ২ রান। এক রান নিতে পারলে ম্যাচ গড়াতে পারত সুপার ওভারে। কিন্তু এক রান গিতে গিয়ে রান আউট হয়ে যান মুস্তাফিজ। এভাবেই নিশ্চিত জয়টা হাতছাড়া হয়ে যায় বাংলাদেশের।

এরআগে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে ১৪৬ রান তোলে ভারত। শুরু থেকে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের বেশ আটকিয়ে রেখেছিল বাংলাদেশি বোলাররা। যদিও উইকেট নিতে পারেনি। তারপরেও আঁটসাঁট বোলিং করেন বোলাররা। প্রথম পাওয়ার প্লেতে ভারত তুলে ৪২ রান এক উইকেটে। এরপর ৮.১ ওভারে করে ৫০ রান। মুস্তাফিজের হাত ধরেই প্রথম উইকেট পায় বাংলাদেশ। ১৮ রানে রোহিত শর্মাকে ফেরান তিনি। এরপর ধাওয়ানকে ২৩ রানে আউট করেন সাকিব। কিন্তু কোহলি ও রায়নার ৫০ রানের জুটি বাংলাদেশের হিসেব গড়বড় করে দেয়। কোহলি ২৪ আর রায়না ৩০ রান করে আউট হন। এরপর পান্ডে হয়ে উঠেন বিপজ্জনক। ৭ বলে ১৫ রান করার পর পান্ডে ফিরেন আল আমিনের বলে।

যুবরাজ সিং (৩) সুবিধে করতে পারেননি। শেষ দিকে ধোনি ও জাদেজার দৃঢ়তায় ভারতের সংগ্রহ গিয়ে দাঁড়ায় ১৪৬। ৮ বলে ১২ করেন জাদেজা। আর ১২ বলে ১৩ করে অপরাজিত থাকেন ধোনি। বাংলাদেশের পক্ষে আল আমিন, মুস্তাফিজ ২টি করে উইকেট নেন।

প্রাসঙ্গিক সংবাদঃ

  • ৭৯ রানে বাংলাদেশের জয়
  • জয় দিয়ে বাংলাদেশের সূচনা
  • বাংলাদেশের জমজমাট জয়
  • কলকাতা নাইট রাইডার্সের পরাজয়!
  • রাজশাহী ৯ উইকেটে জয়ী।।বরিশালের পরাজয়!