স্বাগতম :
আজ: বুধবার, জুন ৮, ২০১৬
শঙ্কামুক্ত নন হায়াৎ আইভী ডিএনসিসি উপনির্বাচন: ৩ মাসের জন্য স্থগিত বাগদাদে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরন অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদায় রদবদল অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিব পর্যায়ে রদবদল নাখালপাড়ায় জঙ্গি অভিযান: নিহত ৩ দেশ কেন মাদক থেকে মুক্ত হতে পারছে না? মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়কের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস নির্মল সেনের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত পুলিশ সপ্তাহ শুরু

সাগরকে বাঁচানোর সুযোগ আছে এখনও

৮ জুন: বিশ্ব মহাসাগর দিবস

।।প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষিত রাখা আমাদের দায়িত্ব।।

শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ:  পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জঞ্জাল ফেলার জায়গাটির নাম সমুদ্র! জেনে বিস্মিত না হয়ে উপায় নেই। প্রতিবছর ৬৫ লাখ টন আবর্জনা ফেলা হচ্ছে এই সমুদ্রে। মানবজাতির ক্রমাগত অতৎপরতা সমুদ্রকে ভয়ংকর ও দূষিত করে তুলছে। সমুদ্রের তাপমাত্রা ও সমুদ্র-পৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ায় সামুদ্রিক জীবন, উপকূলীয় ও দ্বীপান্তর কমিউনিটি ও দেশের অর্থনীতির ওপর তা হুমকির সৃষ্টি করেছে। অনেকে ক্ষোভের সঙ্গে বলেন,পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে সমুদ্র।

বলা হয়ে থাকে, পৃথিবীর ৩ ভাগ জল আর ১ ভাগ স্থল। ফলে ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ এলাকায় নানামুখী সংকট বিদ্যমান। গোটা বিশ্বে সমুদ্র ও উপকূলবর্তী এলাকার উদ্ভিদ ও প্রাণিজগত আজ বিপন্ন! পৃথিবীতে মানব জাতির টিকে থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হল সাগর। খাদ্য, ওষুধসহ বিভিন্ন উপাদানের সঙ্গে আমাদের বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের একটি বড় অংশ আসে মহাসাগর থেকে। তাছাড়া মহাসাগরগুলো বায়ুমণ্ডলর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ দখল করে আছে। কিন্তু মানুষের নানাবিধ কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি জলবায়ুর বৈরী থাবায় মহাসাগরগুলোর প্রতিবেশ ব্যবস্থা প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে। ধ্বংস হচ্ছে এর জীববৈচিত্র্য। এই ধ্বংসযজ্ঞ থেকে সচেতনতা সৃষ্টিতে বিশ্ব মহাসাগর দিবস পালন করা হয় প্রতিবছরের ৮ জুন। এবারও পালিত হচ্ছে বিশ্ব মহাসাগর দিবস। ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত ধরিত্রী সম্মেলনে একদল কানাডিয়ান প্রতিনিধি আন্তর্জাতিকভাবে এ দিবসটি পালনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। ২০০৮ সালের ৫ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে গৃহীত ১১১নম্বর প্রস্তাব অনুযায়ী ২০০৯ সাল থেকে দ্যা ওসেন প্রজেক্ট এবং ওয়ার্ল্ড ওসেন নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে প্রতি বছরের ৮ জুন আন্তর্জাতিকভাবে দিবসটি পলিত হচ্ছে।  মূলত ২০০৯ সাল থেকে বিশ্ববাসী ৮ জুনকে পালন করা হয় বিশ্ব মহাসাগর দিবস হিসেবে।

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সংক্রান্ত সম্মেলনে গ্রিন ইকোনমি রিপোর্টে বলা হয়েছে, গোটা বিশ্বের মৎস্যভাণ্ডারের প্রায় ৩০ ভাগ মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে প্রায় ৫০ ভাগের পূর্ণ ব্যবহার হয়ে চলেছে। উপকূলবর্তী ম্যানগ্রোভ অরণ্যের প্রায় ২০ ভাগ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে সমুদ্রের বুকে যে রিফ রয়েছে, তার ভবিষ্যতও বিপন্ন হয়ে পড়েছে। উপকূলবর্তী অঞ্চলের ১০০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বসবাসরত মানুষের প্রায় ৪০ শতাংশ সমুদ্রের ওপর খাদ্যসহ বিভিন্নভাবে নির্ভরশীল। এই নেতিবাচক পরিবর্তনের ফলে তাদের জীবনযাত্রারও অবনতি ঘটবে বলে রিপোর্টে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ প্রবণতার মোকাবিলা করতে চাষবাস ও মাছ ধরার প্রক্রিয়াকে পরিবেশবান্ধব করে তোলা জরুরী। এ কাজে সফল হলে বিশ্ব অর্থনীতিরও লাভ হবে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী এর মাধ্যমে বাড়তি ৫ হাজার কোটি ডলার পর্যন্ত মুনাফা হতে পারে। সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থানের স্বাভাবিক ভারসাম্য রক্ষা করাই বিশ্ব মহাসাগর দিবস উদযাপনের মূল লক্ষ্য। বিশ্বের নামকরা চিড়িয়াখানা, জাদুঘর, সরকারি-বেসরকারি পরিবেশবাদী সংস্থা, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এ দিনটিতে নানা ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করে যাতে বিশ্ববাসী সামুদ্রিক প্রতিবেশব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে পারে এবং মহাসাগরকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে।

বাংলাদেশের তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে। বাড়ছে বৃষ্টি। ঝড় আর খরাও। বাংলাদেশের আবহাওয়া রিপোর্টে এমন তথ্য দেয়া হয়েছে। গত ৩০ বছরের আবহাওয়া বিশ্লেষণ করে এ রিপোর্ট দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ১৯৮১ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত আবহাওয়ার গতি প্রকৃতির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাংলাদেশের আবহওয়া ধীরে ধীরে অস্বাভাবিক হয়ে উঠছে। স্বাভাবিকের তুলনায় খারাপের দিকে যাচ্ছে রাজশাহী, ঢাকা, বরিশালের আবহওয়া। বাংলাদেশের আবহাওয়ার এই রিপোর্ট করতে সহায়তা করেছে নরওয়েজিন মেট্রেলজিক্যাল ইনস্টিটিউট।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আয়েশা খাতুন বলেন, শৈত্য প্রবাহ, বর্ষাকাল এগুলো বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে কত দিন করে হচ্ছে, কি রকমের প্রভাব পড়ছে এ জিনিসগুলো সাধারণ মানুষের জন্য খুবই উপকারী। আমরা ১৯৮১ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত রিপোর্টে আমরা দেখেছি যে ৩৪টি স্টেশনে আবহাওয়ার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উর্ধ্বমুখী। প্রতিরক্ষা সচিব কাজী হাবিবুল আউয়াল- এর সাথে কথা বলে জানা যায়, জনসংখ্যা বৃদ্ধি প্রতিনিয়ত ভূমির ওপর অত্যাচার ও ভূমি কমে যাওয়া সহ সব কিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের আবহাওয়া পরিবর্তিত হচ্ছে। ঝড়, জলচ্ছাস বন্যার মতো অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ সব সময়ই দুর্যোগ মোকাবেলা করে। দুর্যোগ মোকাবেলায় বাড়তি প্রস্তুতি গ্রহন করতে নানা কার্যক্রম গ্রহন করছে সরকার। আগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে সব সময়ই ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। নরওয়ের রাষ্ট্রদূত মেরিটা লনডিমো বলেন, আবহাওয়ার গতি প্রকৃতি আমাদের সবারই জানা উচিত। আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া গেলে জানমালের ক্ষতি কম হয়। প্রকৃতিকে মোকাবেলা করেই সবাইকে বাঁচতে হয়, আর এ জন্যেই প্রয়োজন ব্যাপক প্রস্তুতি।

সমুদ্র একটি বিশাল এক জলরাশি! সমুদ্র ভাবনাতেই চোখে ভাসে নীল জলের প্রকান্ড  উৎসের ছবি। যেখানে ক্রমাগত ঢেউ ছুটে আসছে। সমুদ্রের উপরিভাগ আর তলদেশ আমাদের কাছে বেশ পরিচিত। ন্যাশনাল জিওগ্রাফি, ডিসকভারি কিংবা এনিমেল প্লানেটে সমুদ্রকে ঘিরে দুর্দান্ত সব অভিযান আর বিচিত্র সব প্রাণীদের নিয়ে অসংখ্য প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়। তবে আমরা খালি চোখে যেটুকু দেখি, সমুদ্রের অবদান আর আবেদন তার চেয়েও অনেক বেশি। সাগর-মহাসাগরকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। আমাদের অক্সিজেনের সবচেয়ে বড় জোগানদাতা হলো এসব সাগর আর মহাসাগর। সমুদ্রের এই অবদান, আবেদন, প্রয়োজনীয়তা আর উপকারীতা অপরীসীম। সমুদ্র আমাদের নানা ভাবে উপকার করে চলে। এই সাগর-মহাসাগরগুলো পৃথিবীর শতকরা ৩০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড শুষে নিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া আমাদের বেশিরভাগ খাদ্য ও অষুধের উৎসও হলো সাগর ও মহাসাগরগুলো। অসংখ্য কারণে মানুষ সমুদ্রের উপর নির্ভর করে। তিনি বিলিয়নের বেশি মানুষ সরাসরি সামুদ্রিক জীববৈচিত্রের উপর নির্ভর করে বেঁচে আছে। সমুদ্র থেকে মানুষ প্রতি বছর যে পরিমাণ সম্পদ আহরণ করে এবং এর উপর ভিত্তি করে পণ্য উৎপাদন করে তার অর্থনৈতিক মূল্য বছরে দাঁড়ায় প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলার। এতো উপকার করার পরেও আমরা সমুদ্রকে রেহাই দিচ্ছি না। দিনের পর দিন নানা ভাবে, নানা চেহারা তার ক্ষতি করেই চলছি। পরিসংখ্যান আর বাস্তবতা বলছে, মোট সাগর আর মহাসাগরের ৪০ শতাংশের বেশি ক্ষতির শিকার হয়ে গেছে।

মানবসৃষ্ট দূষণ আর আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়ে চলছে এই মহান জলরাশিগুলি। বিজ্ঞানীরা জানান, বিশ্বের প্রায় ১০ শতাংশ প্লাস্টিকজাত আবর্জনায় ভরে গেছে এই সব সমুদ্রের কোল। জাতিসংঘের পরিবেশ সমীক্ষার এক তথ্যমতে, সমুদ্রের প্রতি বর্গমাইলে ৫০ হাজার পর্যন্ত প্লাস্টিকের বোতল ভাসতে দেখা যায়। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে তেল, কেমিক্যালসহ আরো নানা রকম বর্জ্য। সারা বিশ্বে আজ সমুদ্র ও উপকূলবর্তী উদ্ভিদ ও প্রাণীজগত বিপর্যয়ের মুখোমুখি। সাগর ও মহাসাগর নিয়ে জাতসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কার্যালয় একটি বিশেষ প্রতিবেদন তৈরি করেছে যার নাম ‘গ্রিন ইকোনমি ইন এ ব্লু ওয়ার্ল্ড’- এই প্রতিবেদনে বিশ্বের সমুদ্রগুলির এক করুণ অবস্থা ফুটে উঠেছে। বিশ্ব সমুদ্র দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ পরিবেশ কার্যক্রম ও সমুদ্র সংরক্ষণ সমিতি এক রিপোর্টে বলেছে, যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও কিছু দেশ সামুদ্রিক দূষণ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে অনেক চেষ্টা চালিয়েছে, তারপরও এ সমস্যা এখনও খুব গুরুতর। মানবজাতির সমুদ্রে নিঃসরিত দূষণ অব্যাহতভাবে মানবজাতির নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য, অতিবিরল সামুদ্রিক প্রাণীর প্রজননের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। টোকিও ইউনিভার্সিটির গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, সমুদ্রের বিশাল আবর্জনার ৮০ শতাংশ আসে স্থল ভাগ থেকে৷ বাকিটা আসে জাহাজ থেকে৷ ৩ হাজার যাত্রীবাহী একটি জাহাজ প্রতি সপ্তাহে ওই অঞ্চলে প্রায় ৮ টন করে আবর্জনা ফেলছে৷  ২০০৬ সালে জাতিসংঘের পরিবেশ সংস্থা জানিয়েছিল, সমুদ্র নামক এই ডাস্টবিনের কাছে সাগরের প্রতি বর্গমাইলে গড়ে ৪৬ হাজার প্লাস্টিকের বোতল ভাসতে থাকে৷ এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি রিসাইকেল করা যায় না৷ এ সব বোতলের ৭০ শতাংশই সাগরের পানির নিচে পড়ে থাকে৷ এখন প্লাস্টিকের বোতল জমে ২০ মিটার পুরু স্তর হয়ে আছে৷ তাদের মতে, সাগরের নিচে এগুলো দেখলে মনে হয় একটা প্লাস্টিকের রাস্তা তৈরি হয়েছে৷

সামুদ্রিক স্থাপনা লঙ্খন করার পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন ‌এলাকার উপকূলীয় অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশেরও দারুণভাবে ক্ষতি হচ্ছে। জর্ডানে অবকাশ সংক্রান্ত পর্যটন শিল্পের জঞ্জাল মোট সামুদ্রিক জঞ্জালের ৬৭ শতাংশ। অন্য ৩০ শতাংশ পোতাশ্রয় পরিবহণ শিল্পের। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সামুদ্রিক জঞ্জালে সমুদ্রের ক্ষতি হওয়া মানবজাতির একটি বড় সমস্যা প্রতিফলিত হয়েছে। তা হচ্ছে প্রাকৃতিক সম্পদের আপচয় এবং অপ-প্রশাসন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন- সাগর ও মহাসাগরকে বাঁচানোর  সুযোগ এখনও আছে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনগুলির সন্মিলিত সক্রিয় ভূমিকা পালনের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি কাটিযয় ওঠা সম্ভব। এজন্য প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণের সময় পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কাজ করা যাবে না। নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন থেকে শুরু করে ইকো-টুরিজমকে আরও উৎসাহ দেয়ার মাধ্যমে উপকূলবর্তী এলাকার পরিস্থিতির উন্নতি করতে হবে। আমাদের গ্রহের প্রাকৃতিক সম্পদগুলো টেকসইভাবে ব্যবস্থাপনা করা ও সুরক্ষিত রাখা আমাদের দায়িত্ব। এই বিষয়ের সম্মুখীন হওয়া কারও ইচ্ছার ওপর নিহিত নয়। এটা অপরিহার্য। আমরা যে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখি,সেটার জন্য আমাদের এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টিতে স্বচেষ্ট হতে হবে, যাতে আমরা সবাই শান্তিপূর্ণ,সুস্থ্য ও সমৃদ্ধ জীবনযাপন করতে সক্ষম হই।

[শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ: প্রধান সম্পাদক,এসবিডি নিউজ24 ডট কম।।]

jsb.shuvo@gmail.com

প্রাসঙ্গিক সংবাদঃ

  • এখনও বহু বাংলাদেশি নিখোঁজ
  • সংযুক্ত আরব আমিরাতে দীর্ঘদিনের ভিসা জটিলতা অবসান হয়নি এখনও
  • কোটা আন্দোলন: আমার কিছু প্রশ্ন আছে
  • রূপগঞ্জে গ্যাস সংকটঃ ৩ শতাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান এখনও বন্ধ
  • অজ্ঞাত কারণে থেমে আছে পুলিশের প্রায় সাড়ে ৭ হাজার সদস্যের পদোন্নতি