স্বাগতম :
আজ: মঙ্গলবার, মার্চ ২০, ২০১২
শঙ্কামুক্ত নন হায়াৎ আইভী ডিএনসিসি উপনির্বাচন: ৩ মাসের জন্য স্থগিত বাগদাদে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরন অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদায় রদবদল অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিব পর্যায়ে রদবদল নাখালপাড়ায় জঙ্গি অভিযান: নিহত ৩ দেশ কেন মাদক থেকে মুক্ত হতে পারছে না? মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়কের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস নির্মল সেনের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত পুলিশ সপ্তাহ শুরু

ফাইনালে বাংলাদেশঃ জয়ের উচ্ছাস

বিশেষ প্রতিনিধি,এসবিডি নিউজ২৪ ডট কমঃ শ্রীলঙ্কাকে ৫ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো উপমহাদেশের ‘বিশ্বকাপ’খ্যাত এশিয়া কাপের ফাইনাল উঠেছে বাংলাদেশ। পয়েন্টের দিক থেকে বাংলাদেশের সমান হওয়ার পরও মুখোমুখি লড়াইয়ে পিছিয়ে থাকায় ছিটকে পড়ল ভারত। মিরপুরে পরশু বৃহস্পতিবার দুপুরে অনুষ্ঠেয় শিরোপা-নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের জয়ের ভিত্তিটা গড়ে দিয়েছিলেন বোলাররা, শ্রীলঙ্কাকে মাত্র ২৩২ রানে অলআউট করে। শ্রীলঙ্কার ইনিংসের পরই শুরু হয় বৃষ্টি। বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশের সামনে ৪০ ওভারে ২১২ রানের লক্ষ্য নির্ধারিত হয়। এ লক্ষ্যে খেলতে নেমে তামিম ও সাকিবের হাফ সেঞ্চুরি, এর পর নাসির হোসেন ও মাহমুদউল্লাহর অবিচ্ছিন্ন ৭৭ রানের জুটিতে ১৭ বল বাকি থাকতেই জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। ৪০ রানে প্রথম তিনটি উইকেট হারিয়ে বসেছিল বাংলাদেশ। নাজিমউদ্দিন ৬, জহুরুল ২ ও মুশফিকুর ১ রান করে আউট হন। তবেই সেই বিপর্যয়কে পেছনে ফেলে দলকে লড়াইয়ের রসদ এনে দেয় তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসানের ৭৬ রানের জুটি। সাজঘরে ফেরার আগে তামিম দলীয় সংগ্রহে যোগ করেন ৫৯ রান। সাকিব আউট হন ব্যক্তিগত ৫৬ রানে। দলের জয় নিশ্চিত করে নাসির ৩৬ ও মাহমুদউল্লাহ ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন।
মিরপুরে দিবা-রাত্রির এই ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। শ্রীলঙ্কাকে অল্প রানে আটকে দিয়ে অধিনায়কের সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমাণ করেন বোলাররা।

দ্রুত তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলেন শফিউল হোসেনের ইনজুরির কারণে এ ম্যাচে দলে সুযোগ পাওয়া পেসার নাজমুল হোসেন। তবে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ৮৮ রানের জুটি গড়েন চামারা কাপুগেদারা ও লাহিরু থিরিমান্নে। কাপুগেদারা-থিরিমান্নের জুটি ভেঙে শ্রীলঙ্কাকে আবার চাপে ফেলেন আবদুর রাজ্জাক। থিরিমান্নে করেন ৪৮ রান। কিছুক্ষণ পর ৬২ রানে থাকা কাপুগেদারাকেও সাজঘরে পাঠান রাজ্জাক। এর পর দুটি উইকেট শিকার করেন সাকিব আল হাসান। ৪৮ রান করা উপুল থারাঙ্গাকে সাজঘরে পাঠান শাহাদাত হোসেন। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট শিকার করেন নাজমুল। রাজ্জাক ও সাকিব নেন দুটি করে উইকেট। মাশরাফি ও শাহাদাত্ নেন একটি করে উইকেট।

এশিয়া কাপের ‘বাইলজ’ অনুযায়ী, একাধিক দলের পয়েন্ট সমান হয়ে গেলে মুখোমুখি লড়াই বিচার্য হবে ফাইনালের স্থান দখলের জন্য। তিন ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে সবার আগে ফাইনাল নিশ্চিত করে পাকিস্তান। তিনটি করে ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দলের অর্জন ৮ পয়েন্ট। তবে গত শুক্রবার ভারতকে ৫ উইকেটে হারানোর সুবাদে ফাইনালে উঠে গেল বাংলাদেশ।

প্রাসঙ্গিক সংবাদঃ

  • বাংলাদেশের জমজমাট জয়!
  • গম্ভীর ও কোহলির দুর্দান্ত সেঞ্চুরির তান্ডবে জয় ভারতের
  • ২১ রানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে
  • রাজশাহীর পরাজয়ঃ বরিশালের জয়ের নায়ক শেহজাদ
  • জয় দিয়ে বিপিএল এর যাত্রা শুরু